পড়ুন-চীনে এবার প্লেগের হানা


 
শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কি খাবেন জেনে নিন 
স্বাস্থ্য ব্লগ
শরীর ভালো রাখতে পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প নেই।

আমরা সবসময় বলে আসছি শরীর ভালো রাখতে পুষ্টিকর খাবারের বিকল্প নেই। অনেকেই সচেতন আগে থেকেই। আবার অনেকেই জেনেও গুরুত্ব দেন না। সব মানসিকতার মানুষই আমাদের সমাজে বসবাস করেন একসাথে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য ব্যায়াম এর সাথে সাথে পুষ্টিকর খাবার আবশ্যক।

এখন করোনা যখন আমাদের উপর আক্রমণ করলো তখন আমরা বুঝতে পেরেছি পুষ্টিকর খাবারের গুরুত্ব কতটুকু! সবার মুখেই এখন একই কথা, কীভাবে আমাদের শরীরে প্রতিরোধ ব্যবস্থার উন্নতি করা যায়। বিস্তারিত




Health benefits of black cumin (Raed In English) 

কালো জিরার স্বাস্থ্য উপকারিতা(Read in Bangla)

স্বাস্থ্য উপকারিতা

The health benefits of black cumin are immense. First we will know the identity……. কালোজিরায় ভিটামিন, স্ফটিকল নাইজেলোন, অ্যামিনো অ্যাসিড, স্যাপোনিন, ক্রুড ফাইবার, প্রোটিন, ফ্যাটি অ্যাসিডের মতো লিনোলেনিক, ওলিক অ্যাসিড, উদ্বায়ী তেল, আয়রন, সোডিয়াম, পটাসিয়াম ও ক্যালসিয়াম রয়েছে।এসব উপাদান কালো জিরার স্বাস্থ্য উপকারিতাতে……বিস্তারিত

মহামারী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে চিনে এমন  একটি ফ্লুর নতুন ভাইরাস বিজ্ঞানীরা সনাক্ত করেছেন

স্বাস্থ্য উপকারিতা

এটি সম্প্রতি আবির্ভূত হয়েছে এবং শূকরের দ্বারা বহন এটি করা হয়, তবে 
এটি মানুষকে সংক্রামিত করতে পারে, তারা বলেছেন।গবেষকরা উদ্বেগ প্রকাশ
করেছেন যে এটি আরও রূপান্তর করতে পারে যাতে এটি ব্যক্তি থেকে অন্য
ব্যক্তিতে সহজেই ছড়িয়ে পড়ে এবং বিশ্বব্যাপী প্রকোপ ঘটাতে পারে।
বিস্তারিত


অর্শ রোগে যে খাবারগুলো এড়িয়ে চলা উচিত

বিস্তারিত




 স্বাস্থ্য উপকারিতা


রসুনের ৮ টি যাদুকরী স্বাস্থ্য উপকারিতা ।

রান্নায় অপরিহার্য রসুন।  রসুন ছাড়া মাংস থেকে শুরু করে কাচ্চি, তরকারি রান্না রসুন ছাড়া চিন্তাই করা যায় না।  রান্নায় দীর্ঘদিন ধরেই রসুন ব্যবহার হচ্ছে বাংলাদেশে। রসুনকে অনেকেই বলে থাকেন “Power House of Medicine and Flavor”. কাঁচা বা সিদ্ধ রসুন কোয়া সেবনে শরীর সুস্থ থাকে এবং নিয়মিত সেবনে অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।


স্বাস্থ্য উপকারিতা









অ্যালোভেরা জুস নিয়মিত খেলে মিলবে ১২ উপকার

ঘৃতকুমারী বা এলোভেরা ত্বকের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে  যেমন কোনও বিকল্প নেই তেমনি এই গাছটি  কাজে লাগিয়ে আরও অনেক রোগকেই দূরে রাখা সম্ভব। অ্যালোভেরার রস খেলে শরীর চাঙ্গা থাকে। এছাড়াও এলোভেরা অনেক ওষুধ তৈরিতেও ব্যবহৃত হয়।আসুন অ্যালোভেরার বিভিন্ন গুনাগুণ সম্পর্কে জেনে নিই।বিস্তারিত

 

১। প্রতিদিন এক গ্লাস করে অ্যালোভেরার পাতার নির্যাসের শরবত খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য দূর হয়।

২। মুখে বা জিভে ঘা হলে অ্যালোভেরার পাতলা স্তরটি তুলে দিয়ে মুখের ভিতরে রাখলে ঘা সেরে যাবে।

৩। অ্যালোভেরা জুস খেলে সারা শরীরে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্তের প্রভাব বেড়ে যায়,যে কারণে শরীরের প্রতিটি অঙ্গের পাশাপাশি হার্টের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৪। প্রতিদিন এক গ্লাস করে অ্যালোভেরার পাতার নির্যাসের শরবত খেলে রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও হ্রাস পায়।

৫। ক্ষতের উপরে অ্যালোভেরা জেল লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

৬। নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল খাওয়া শুরু করলে দেহের ভেতরে এমন কিছু পরিবর্তন হয়,যার প্রভাবে প্রয়োজনীয় হরমোনের ক্ষরণ ঠিক মতো হয় ফলে হরমেনাল ইমব্যালেন্স হওয়ার মতো সমস্যা থকে না।

৭। গ্যাস্ট্রিক আলসার প্রভূতি থেকে উপশমের জন্য এলোভেরা পাতার রস খুবই উপকারী।

৮। প্রচণ্ড গরমে এলোভেরার পাতার রস সরবত করে খেলে শরীর ঠান্ডা থাকে।

৯। নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপদানটি খাওয়া শুরু করলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন এবং মিনারেলের ঘাটতি দূর হয়। সেই সঙ্গে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের ঘাটতিও দূর হতে থাকে। প্রসঙ্গত, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হল সেই উপাদান যা আমাদের শরীরকে রোগ মুক্ত রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

১০। নিয়মিত এই প্রকৃতিক উপাদানটি গ্রহণ করলে দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে ফলে সর্দি-কাশি থেকে শুরু করে ছোট-বড় কোনও রোগই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।

১১। নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল খেলে হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটে।
১২। অ্যানিমিয়ায় বা রক্ত শুন্যতা প্রতিরোধে নিয়মিত অ্যালোভেরা জেল খেতে হবে।

ভিডিওতে দেখুন এলোভেরার বিস্ময়কর গুণাবলী



স্বাস্থ্য উপকারিতা
শিশুর মেধা বিকাশে খাবার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

শিশুর মেধা বিকাশে কি কি খাবার খাওয়ানো জরুরী?

নিয়মিত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার শিশুর দৈহিক ও মানসিক বিকাশে সাহায্য করে থাকে। এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।


নিয়মিত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন খাবার শিশুর দৈহিক ও মানসিক বিকাশে সাহায্য করে থাকে। কিন্তু সব খাবারে একই পুষ্টিগুণ থাকে না, কিছু খাবার আছে যার মধ্যে অনেক বেশি পুষ্টিগুণ বিদ্যমান।

শিশুর মস্তিষ্ক সক্রিয় ও সতেজ রাখার জন্য খাবারের ভূমিকা অনেক গুরুত্বপূর্ণ । শিশুর মেধা ও বুদ্ধি বিকাশে মস্তিষ্ক সক্রিয় এবং সতেজ রাখা জরুরী । মনে রাখতে হবে যে খাবারগুলো শিশুর মেধা বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেসব খাবার শিশুকে নিয়মিত খেতে খেতে দিতে হবে । এ বিষয়ে খেয়াল রাখতে হবে শিশুকে সব ধরণের পুষ্টিকর খাবার সুষমভাবে খাওয়াতে হবে । প্রয়োজনে পুষ্টিবিদদের পরামর্শ নিতে পারেন । আসুন জেনে নিই কোন খাবারগুলো আপনার শিশুর মেধা বিকাশে বিশেষ ভূমিকা পালন করে ।

ডিম : শিশুদের মস্তিষ্কের বিকাশসাধন দ্রুত হয়। এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে কোলাইন নামে একটি পুষ্টি উপাদান ।। কোলাইন মস্তিষ্কের গভীরে স্মৃতিকোষ তৈরি করতে সাহায্য করে । ডিমের কুসুমে প্রচুর কোলাইন আছে । আট বছর পর্যন্ত প্রতিদিন যতটুকু কোলাইন লাগে তার প্রায় সমপরিমাণ পুষ্টি একটি ডিমের কুসুমে আছে । ডিমে প্রচুর প্রোটিন, আয়রন, ভিটামিন এ ও ফোলেটও রয়েছে এদের প্রত্যেকটিই কোষের বৃদ্ধি, বিকাশসাধন ও মেরামতে প্রয়োজন । প্রথমতও, তাই শিশুকে প্রতিদিন ডিম খেতেদিন ।

তৈলাক্ত মাছ : তৈলাক্ত মাছে থাকা ওমেগা ৩ মস্তিষ্কের বিকাশসাধন ও স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী । তাই তৈলাক্ত মাছ খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কোষের বিকাশসাধনের জন্য অন্যতম বিল্ডিং ব্লক হচ্ছে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড। এ পুষ্টি নিউরোট্রান্সমিটার ফাংশনে ভূমিকা রেখে আচরণগত সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করতে সহায়তা করে। কিছু গবেষণায় নিম্নমাত্রার ওমেগা ৩ এর সাথে কম মেধার যোগসূত্র দেখা গেছে এবং অন্যদিকে ওমেগা ৩ সাপ্লিমেন্টেশনে মেমোরি ফাংশন বৃদ্ধি পেয়েছিল।দ্বিতীয়ত, শিশুকে নিয়মিত তৈলাক্ত মাছ খেতেদিন ।

গোটা শস্য : শিশুদের সকালের নাস্তায় গোটা শস্য রাখা উচিত। কার্বোহাইড্রেটে সমৃদ্ধ এই খাবার মস্তিষ্কে গ্লুকোজ ও এনার্জির যোগান দেয়। এতে প্রচুর বি ভিটামিনও থাকে যা নার্ভাস সিস্টেমকে সুস্থ ও পুষ্ট রাখে। অনেক গবেষণায় পাওয়া গেছে, হোল গ্রেনের ব্রেকফাস্ট শর্ট-টার্ম মেমোরি ও মনোযোগ বৃদ্ধি করতে পারে। গোটা শস্যে উচ্চ পরিমাণে ফাইবারও রয়েছে, যা শরীরে গ্লুকোজ সাপ্লাই নিয়ন্ত্রণ করে। তৃতীয়ত, শিশুকে নিয়মিত গোটা শস্য খেতেদিন ।

বিনস : শিমের বিচির মতো বিচি প্রকৃতির খাবারে বিনস উচ্চ মাত্রায় প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল পাওয়া যায়। পিন্টো ও কিডনি বিনসে ওমেগা ৩ ফ্যাট বেশি থাকে, যা মস্তিষ্কের বৃদ্ধি ও কার্যক্রমের জন্য দরকারী। বিনস শিশুর মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে । চতুর্থত, শিশুকে নিয়মিত গোটা বিনস খেতেদিন ।

সবুজ শাক সবজি : সবুজ শাক সবজিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন আছে যা আপনার শিশুর মস্তিষ্ক গঠনে সহায়তা করে তাই শিশুর খাবার মানুষের কিছু শাক সবজি রাখা অত্যাবশ্যক । পঞ্চতম, শিশুকে নিয়মিত সবুজ শাক সবজি খেতেদিন ।

ফলমূল : ফলে প্রচুর ভিটামিন ও মিনারেল আছে যা শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সহায়তা করে । তাই প্রতিদিন শিশুকে অল্প করে হলেও ফলমূল খাওয়ান। ষষ্ঠত, শিশুকে নিয়মিত ফলমূল খেতেদিন ।

দুধ : দুধ, দই ও পনির পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার । এ জাতীয় খাবারের প্রোটিন, বি ভিটামিন ও অন্যান্য পুষ্টি মস্তিষ্কের টিস্যু, নিউরোট্রান্সমিটার ও এনজাইমের গ্রোথের জন্য প্রয়োজনীয়। এসবকিছু মস্তিষ্কের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। এসব খাবার ক্যালসিয়ামে সমৃদ্ধ বলে এগুলো খেলে দাঁত ও হাড় মজবুত হবে । শিশুদের বয়স অনুসারে বিভিন্ন মাত্রার ক্যালসিয়াম প্রয়োজন হতে পারে। আপনার শিশুকে প্রতিদিন দুগ্ধজাত (ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ) খাবার খাওয়ান। পরিশেষে বলতে চাই, আপনার শিশুদের পরিপূর্ণ পুষ্টির জন্য প্রতিদিন দুগ্ধজাত (ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ) খাবার খাওয়ান


শিশুর মেধা বিকাশে কি কি খাবার খাওয়ানো জরুরী ভিডিওতে দেখুন

শিশুর মেধা বিকাশে পুষ্টিকর খাবার এবং খেলাধুলার সাথে আরও অনেক কিছু জড়িত বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা

একটি শিশুর মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি জরুরি তার Environmental Factor টা জরুরি। অর্থাৎ তার পরিবার, আশেপাশের মানুষ, বেড়ে ওঠার পরিবেশ কেমন সেটার ওপর শিশুর মানসিক বিকাশ নির্ভর করে।

এই সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।



বেশিরভাগ মায়েরা
শিশুর যত্ন বলতে শুধুমাত্র পুষ্টিকর খাবার আর সময় অনুযায়ী স্বাস্থ্য উপকারিতাটিকা দেয়ার কথাই জানেন

কিন্তু মায়ের গর্ভ থেকেই যে শিশুর বিকাশ শুরু হয় তা নিয়ে কোন ধারণাই নাই মায়েদের। শিশুর বিকাশে যে আরও অনেক কারণ রয়েছে তা এখন গবেষণায় প্রমাণিত।

অনেক মায়েরা মনে করেন এই বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য ব্যাপক প্রচারণা প্রয়োজন।

আবার অনেক মা মনে করেন যে শিশুর বিকাশের পুরোটাই নির্ভর করে, পুষ্টিকর খাবার, ভাল স্কুল এবং খেলাধুলার ওপর। শিশুর বিকাশে যোগাযোগের বা Communication এর যে বিশাল ভূমিকা আছে সে বিষয়টি জনসচেতনতার ক্ষেত্রে কখনোই গুরুত্ব পায়নি ।

কিভাবে বাচ্চাকে লালন পালন করতে হয়, তাদের কোন বিষয়গুলো মনোযোগ দিতে হয়, কিভাবে বাচ্চার সাথে সংযুক্ত হওয়া প্রয়োজন এই বিষয়গুলো বেশিরভাগ মা জানেনা।

একজন মা বলেন “আমার মনে হতো পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো, খেলতে নিয়ে যাওয়া, ঘুরতে নিয়ে যাওয়া এটাই সব বলে মনে হতো।”

শিশু ভূমিষ্ঠের পর থেকে প্রথম আট বছর তার শারীরিক বৃদ্ধি ও মানসিক বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। এই সময়ের মধ্যে শিশুর অভিজ্ঞতা এবং শিক্ষা সার্বিক বিকাশের ওপর প্রভাব ফেলে বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

অথচ শিশুর বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ এই দিকগুলো বাংলাদেশে এখনও অবহেলিত বলে ব্র্যাকের একটি গবেষণায় অধ্যাপক ফেরদৌসি খানম বলেছেন। বাংলাদেশে আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্ট বা প্রারম্ভিক শৈশব সেবা নিয়ে ওই গবেষণায় সংশ্লিষ্ট ছিলেন তিনি।

তারমতে প্রারম্ভিক শৈশব উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিবার থেকে শুরু করে সমাজ ও রাষ্ট্রের বিশেষ করণীয় আছে। শিশুর প্রারম্ভিক বিকাশের সময়টা তার সারা জীবনের ভিত্তি গড়ে তুলে। এই ভিত্তি যদি মজবুত না হয়, ঐ শিশু হয়তো সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে, পরিকল্পনা নেওয়ার ক্ষেত্রে, বা সমাজের সবার সাথে মিশতে সমস্যার মুখোমুখি হতে পারে। তাই প্রাথমিক Care Giver মানে মা-বাবা, পরিবার, থেকে শুরু করে সিদ্ধান্ত গ্রহণের দায়িত্বে যারা আছেন মানে Community, সরকার, অর্থাৎ যারা উন্নয়নের সাথে জড়িত তাদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

তা ছাড়া শিশুদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর পাশাপাশি তাদের ভাল পরিবেশে ঘুরতে নিয়ে যাওয়া, তাদের সঙ্গে গল্প করা, কথা বলা, খেলাধুলা করা, ভালো গল্প শোনানো ইত্যাদি তাদের পরিপূর্ণ বিকাশে ইতিবাচক (Positive) প্রভাব পড়ে। এই ব্যাপারে বাংলাদেশের বেশিরভাগ অভিভাবকের তেমন পরিষ্কার ধারণা নেই বলে গবেষণা থেকে জানা যায়।

তাছাড়া শিশুকে পর্যাপ্ত সময় দিতে না পারা, সন্তান প্রতিপালনে বাবার ভূমিকা মায়ের তুলনায় কম থাকা এমন আরও নানা বিষয় শিশুর পূর্ণাঙ্গ বিকাশে বাধার সৃষ্টি করতে পারে এবং এতে শিশুর দীর্ঘমেয়াদী মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে বলে জানান মনোরোগবিদ ড. সরকার।

তিনি বলেন, “একটি শিশুর মানসিক বিকাশের ক্ষেত্রে জেনেটিক বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি জরুরি তার Environmental Factor টা জরুরি। অর্থাৎ তার পরিবার, আশেপাশের মানুষ, বেড়ে ওঠার পরিবেশ কেমন সেটার ওপর শিশুর মানসিক বিকাশ নির্ভর করে। এখন যদি জেনেটিক ফ্যাক্টর ঠিক থাকে কিন্তু এনভায়রনমেন্টে গলদ থাকে তাহলে বাচ্চার মধ্য ভীতি সঞ্চার হতে পারে, উদ্বেগে ভুগতে পারে, অনিরাপদ হয়ে যেতে পারে, অবসাদগ্রস্ত হতে পারে এমনকি আচরণগত সমস্যাও দেখা দিতে পারে।“

বাংলাদেশে যে সুবিধাবঞ্চিত শিশু রয়েছে বা যাদের বেড়ে ওঠার মৌলিক চাহিদাগুলোর ঘাটতি রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এই প্রারম্ভিক শৈশব সেবা নিশ্চিত করা বেশ বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করেন । এক্ষেত্রে জন সচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকারের আরও এই বিষয়ে বেশি পৃষ্ঠপোষকতার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন তিনি।

 2,454 total views,  3 views today